বাংলাদেশের অনেক দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার ও সাইট সুপারভাইজার নিজের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান চালানোর স্বপ্ন দেখেন। কারিগরি দিক পরিচিত, কিন্তু ব্যবসার দিকেই বেশিরভাগ নতুন প্রতিষ্ঠান হোঁচট খায়।
১. সঠিকভাবে নিবন্ধন
সাধারণত সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স, TIN, আর বড় হলে ভ্যাট নিবন্ধন ও কোম্পানি নিবন্ধন লাগে। সরকারি ও বড় বেসরকারি টেন্ডারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তালিকাভুক্তিও লাগে। নিয়ম বদলায়, তাই সংশ্লিষ্ট অফিস বা পেশাদার পরামর্শকের কাছ থেকে সর্বশেষ শর্ত নিশ্চিত হয়ে নিন।
২. প্রকল্পের টাকা আর ব্যক্তিগত টাকা আলাদা
ব্যবসার আলাদা ব্যাংক হিসাব খুলুন এবং প্রতিটি অগ্রিম ও খরচ নির্দিষ্ট প্রকল্পের নামে লিখুন। এই একটি অভ্যাস বেশিরভাগ নগদ সংকট এড়ায়।
৩. প্রথম দিন থেকেই সঠিক হিসাব
টেকাক্সি-র তৈরি কিরিক্সো অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার বাংলা ও ইংরেজিতে লেজার, পাওনা, দেনা আর প্রকল্পভিত্তিক লাভের পরিষ্কার হিসাব দেয়।
৪. সরবরাহকারীর সাথে সুসম্পর্ক
বাকির শর্ত লিখিত রাখুন আর মাসে মাসে মিলিয়ে নিন। এখন অনেক নির্মাণসামগ্রীর দোকান হিসাবুন-এ বিক্রি ও বাকি রাখে, ফলে হিসাব মেলানো সহজ।
৫. আন্দাজে নয়, ড্রয়িং দেখে দাম
সঠিক ড্রয়িং ও পরিমাণ থেকে কোটেশন দিন, জরুরি খরচ রাখুন। কাঠামো জানতে পড়ুন নির্মাণ বাজেট পরিকল্পনা।
৬. পেশাদার অনলাইন উপস্থিতি
দ্রুত, দুই ভাষার ওয়েবসাইট আর পোর্টফোলিও প্রথম সাক্ষাতের আগেই আস্থা তৈরি করে — দেখুন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে যা জরুরি। আপনার মতো প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট ও কাস্টম সফটওয়্যার তৈরি করে টেকাক্সি।
৭. দরকারি জায়গায় অংশীদার
স্ট্রাকচারাল ডিজাইন, সয়েল টেস্ট বা পরামর্শ দরকার? বিটেক চট্টগ্রামজুড়ে ঠিকাদারদের সাথে কাজ করে। যোগাযোগ করুন।